লাগামহীন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে দলের অভ্যন্তরে আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয় এবং স্থানীয় বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে কেন্দ্র বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। স্থানীয় নেতাদের মতে, তার কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।
বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের তালিকা
১. ডিসি ও শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে গালিগালাজ
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক এবং শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ।
২. ক্ষমতার অপব্যবহার করে পদ দখল
ভোলাইন বাজার উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতির পদ নিয়ে বিতর্কের জেরে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে হুমকি দিয়ে পদ দখল।
৩. পতিত আওয়ামী লীগারদের পুনর্বাসন
নাঙ্গলকোট এলাকায় 'পতিত আওয়ামী লীগারদের' পুনর্বাসন করে দলীয় নীতির লঙ্ঘন এবং নিবেদিত কর্মীদের কোণঠাসা করা।
দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ
আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার এই সব বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে দলের অভ্যন্তরে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়। স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ
স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তারা মনে করেন যে, তার এই কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।
বহিষ্কারের দাবি
স্থানীয় বিএনপির পক্ষ থেকে আব্দুল গফুর ভূঁইয়াকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে কেন্দ্র বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। এই চিঠিতে তার সব বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়।
কেন্দ্র বরাবর চিঠি
স্থানীয় বিএনপির নেতারা আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণসহ কেন্দ্র বরাবর চিঠি পাঠান। তারা তাকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান।
দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন
আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। সাধারণ মানুষ এবং দলীয় কর্মীরা এই কর্মকাণ্ডকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন।
দলীয় মূল্যবোধের লঙ্ঘন
আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার কর্মকাণ্ড বিএনপির মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক। তিনি দলীয় নীতি, মূল্যবোধ এবং শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা না রেখে কাজ করেছেন।
জনগণের আস্থা হারানো
আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি মাত্র ৬২৯ ভোট পেয়েছিলেন, যা তার জনপ্রিয়তার অভাবের প্রমাণ।
দলীয় ঐক্যের উপর প্রভাব
আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড দলীয় ঐক্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তার কর্মকাণ্ডের কারণে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হয়েছে।
দলীয় শৃঙ্খলার লঙ্ঘন
আব্দুল গফুর ভূঁইয়া দলীয় শৃঙ্খলার লঙ্ঘন করেছেন। তিনি দলীয় নীতি এবং মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা না রেখে ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য কাজ করেছেন।
স্থানীয় নেতাদের মন্তব্য
স্থানীয় বিএনপির নেতারা বলেছেন যে, আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। তারা তাকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন।
উপসংহার
দল থেকে বহিষ্কারের দাবি
আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার লাগামহীন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে দলের অভ্যন্তরে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ডিসি ও শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে গালিগালাজ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে পদ দখল, পতিত আওয়ামী লীগারদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে কেন্দ্র বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে, দলীয় নীতি এবং মূল্যবোধের লঙ্ঘন করেছে এবং দলীয় ঐক্য ক্ষুণ্ন করেছে। একজন দলীয় নেতার জন্য এই ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।